মুগদা মেডিকেল কলেজে ‘জাগো তারুণ্য রুখো জঙ্গিবাদ’

জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণা করতে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ নির্ধারন করে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনে অগ্রযাত্রা শুরু হয়। তরুণদের জঙ্গিবাদবিরোধী মনোজগৎ জাগ্রতকরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে কয়েক বছর ধরে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেমিনার করে আসছে সুচিন্তা ফাউন্ডেশন।

বৃহস্পতিবার ‘জাগো তারুণ্য রুখো জঙ্গিবাদ’ শিরোনামে সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের জঙ্গিবাদবিরোধী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একটি সেমিনার আয়োজন করা হয় রাজধানীর মুগদা মেডিকেল কলেজ অডিটোরিয়ামে।

উক্ত সেমিনারে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. একেএম নূর-উন-নবী বলেন, বৈশ্বিক একটি আতঙ্কের নাম জঙ্গিবাদ। ভ্রান্ত আদর্শের ওপর ভর করে তরুণরাও জঙ্গি হয়ে ওঠছে। আর এই আদর্শ ছড়িয়ে দিচ্ছে কিছু গোষ্ঠী, ধর্মের নামে তরুণদের মিথ্যা ধর্মীয় ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করছে।

এসময় তিনি আরো বলেন, আমি খুব সৌভাগ্যবান যে, মুক্তিযুদ্ধ করেছি, স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছি। তোমরা তা পারবে না, সময়টি পেরিয়ে গেছে। আবার তোমরা যা পারবে আমি তা পারব না, সময়ের কারণেই। এ দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে আগামীতে তোমরাই। মাথাপিছু আয় ১৭ হাজার ডলারে উত্তীর্ণ করবে তোমরা। উন্নত দেশে রূপান্তর করবে। নিজের ও অন্যের অর্থনৈতিক মুক্তি ঘটাবে তোমরাই।

প্রফেসর ড. একেএম নূর-উন-নবী আরও বলেন, জয় বাংলা ও বাংলাদেশ একই জিনিস। জয় বাংলা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করলে জঙ্গিবাদ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে আরও এগিয়ে যাবে নতুন প্রজন্মের হাত ধরে। কেউ বাধা দিতে পারবে না।

মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. ফারুক আহমেদ ভূইয়া বলেন, জঙ্গিবাদ একটি মতবাদ, এই মতবাদকে রুখতে হলে বা কাউন্টার দিতে পাল্টা মতবাদ লাগবে। হতে হবে সচেতন। সুচিন্তা ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ জঙ্গিবাদ নির্মূলে বিরাট ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন সঞ্চালক জববার হোসেন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন মুগদা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. শাহ গোলাম নবী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *