সম্পূর্ন ফ্রি টিউশন ফিতে চীনে স্নাতক-স্নাতকোত্তর করার সুযোগ

আমাদের দেশে থেকে প্রতি বছর প্রচুর শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষার জন্য ইউরোপ, আমেরিকা,অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন দেশে চলে যাচ্ছে। যেসব শিক্ষার্থী চীনে পড়তে চান, কিংবা যেসব অবিভাবক সন্তানদের উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে পড়াতে আগ্রহী তারা চীনে পড়ানোর সুযোগ নিতে পারেন অনেক সহজেই।

বর্তমান যুগে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থেকে চীনে পড়ার আগ্রহ অনেক বেড়ে গেছে। চীনে রয়েছে সম্পূর্ণ বৃত্তিতে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ইঞ্জিনিয়ারিং, এবং এমবিবিএস এ পড়ার সুযোগ।

কেন চায়নায় পড়াশুনা করবেন:
• অন্যান্য দেশের তুলনায় চায়নাতে তে রয়েছে স্নাতোকোত্তরে সম্পূর্ণ বৃত্তির সুযোগ।
• সমাজ তান্ত্রিক দেশ হওয়ার কারনে সরকারী/পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ার সুযোগ।
• চায়নাতে প্রচুর পরিমানে চাকরির সুযোগ রয়েছে।
• সরাসরি ইংরেজী মাধ্যমে পড়ার সুযোগ।
• স্কলারশীপে পৃথিবীর র‍্যাংকিং সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী এবং বিবিএ পড়ার সুযোগ আছে।
• বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেলের থেকে অনেক কম খরচে এমবিবিএস পড়ার সুযোগ।
• চীনে কোন ব্যাংক স্পন্সর বা আইইএলটিএস এর প্রয়োজন হয় না।

*চীনে বিভিন্ন বৃত্তিতে পড়াশুনা:
বহির্বিশ্বের সঙ্গে সমঝোতা ও সহযোগিতার সম্পর্ক উন্নয়ন এবং শিক্ষা-সংস্কৃতির আদানপ্রদানের লক্ষ্যে প্রতিবছরই বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের শিক্ষাবৃত্তি দিয়ে থাকে চীন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক-স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে পড়াশুনার জন্য বৃত্তি দিচ্ছে চীন সরকার।

চীন সরকার প্রদত্ত বৃত্তি:
চীনে প্রায় ৩ হাজার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই সরকারি প্রতিষ্ঠান। ইংরেজী মাধ্যমে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে পড়াশুনা করতে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য চীন সরকার ফ্রি থাকা এবং সম্পূর্ণ টিউশন ফি মুক্ত বৃত্তি। এছাড়া এ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের মাসিক বৃত্তি হিসেবে দেয়া হবে ৩০০০ আরএমবি। যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩৫ হাজার টাকা।
বিষয়: চীন সরকার প্রদত্ত বৃত্তির আওতায় ব্যবসায় শিক্ষা ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সব বিষয়ে স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করতে পারবে।
আবেদনের সময়: স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম সেপ্টেম্বর ২০১৮ তে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই আবেদন করতে হবে।

স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বৃত্তি: সরকারি ছাড়াও চীনে প্রায় সব উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানই বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা করার জন্য বৃত্তি প্রদান করে থাকে। ইংরেজী এবং চায়নিজ উভয় মাধ্যমেই এই বৃত্তির আওতায় সম্পূর্ন ফ্রি টিউশন ফিতে পড়াশুনা করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও রয়েছে ফ্রি থাকার ব্যবস্থা। এই বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীরা মাসিক বৃত্তি হিসেবে প্রতিমাসে ৫০০-২৫০০ আরএমবি (বাংলাদেশী ৬০০০-৩০০০০ টাকা) পাবে।

বিষয়: শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির অধীনে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং, ট্যুরিজম ম্যানেজমেন্ট, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট, পলিটিক্যাল এন্ড পাবলিক অ্যাডমিনেস্ট্রেশন এ পড়াশুনা করার জন্য আবেদন করতে পারবে।
আবেদনের সময়: এ বৃত্তির অধীন স্নাতকোত্তর সেপ্টেম্বর-২০১৮ সেশনের জন্য মে, ২০১৮ পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

ইংরেজী মাধ্যমে স্নাতক প্রোগ্রামে পড়াশুনার জন্য বৃত্তি: চীনের সরকারি ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিবছর ইংরেজী মাধ্যমে স্নাতক প্রোগ্রামে পড়াশুনা করার জন্য বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে থাকে। এ বৃত্তির অধীনে সম্পূর্ণ ফ্রিতে থাকার ব্যবস্থা (একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত), ফুল ফ্রি টিউশন ফিতে পড়াশুনা করা যায়।

বিষয়: বৃত্তির আওতায় ব্যবসায় শিক্ষা ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সব বিষয়ে স্নাতক প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনা করতে পারবে।

আবেদনের সময়: স্নাতক প্রোগ্রাম মার্চ ২০১৮ সেশনে ভর্তির জন্য চীনে উচ্চশিক্ষা নিতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ এর মধ্যে আবেদন করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে চীনে স্নাতকোত্তর লেভেল এ সম্পূর্ণ বৃত্তিতে পড়াশুনা করার সুযোগ সৃষ্টি করেছে ইনপয়েন্ট কনসালটেন্ট (আইপিসি)। চীনে সম্পূর্ন বৃত্তিতে পড়াশুনা করতে এবং পড়াশোনার বিষয়ে পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করুন ঢাকায় অবস্থিত ইনপয়েন্ট কনসালটেন্ট (আইপিসি)-এ, মোবাইল: ০১৭১০-৩৯৩৫৩৭। ওয়েবসাইট: www.ipicbd.net

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *